নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথমবার টি-২০ সিরিজ জিতে ইতিহাস লেখা হয়ে গিয়েছে। পাঁচ ম্যাচের মহারণে ভারত এখন ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে। সেই সঙ্গে টানা দুটি সুপার ওভার ম্যাচ জিতে কিউয়িদের বিরুদ্ধে ব্যাটে-বলে পারফর্ম্যান্স এখন অন্য উচ্চতায় মেন ইন ব্লু!
শামি থেকে শার্দুল, সাইনি থেকে রাহুল। টি-২০ বিশ্বকাপের বছরে শুরু থেকেই ব্যাটে বলে ভারত যেন সুপার পাওয়ার। ক্রমেই যেন রুদ্ধশ্বাস থ্রিলার লড়াইয়ে ম্যাচ জেতার স্পেশালিস্ট হয়ে উঠছে। স্লগ ওভারে শেষ বলে নাটকীয় মুহূর্তে চাপ ধরা রাখার সহজ উপায়! চাইলে টি-২০ বিশ্বকাপের আগে এমন একটাই বই প্রকাশ করতে পারে বিরাট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট। তার আগে রবিবার কিউয়িদের বিরুদ্ধে কোহলির লক্ষ্য এখন ৫-০।
রবিবার ম্যাচ জিতলে ৫-০ ব্যবধানে টি-২০ সিরিজ জিতে ওডিআইয়ের বৃত্তে ঢুকে পড়বে ভারত।
নিউজিল্যান্ডে সামনে সম্মান বাঁচানোর লড়াই
২০০৫ সালের পর ঘরের মাঠে এখনও পর্যন্ত দ্বিপাক্ষিক টি-২০ সিরিজে নিউজিল্যান্ড একবারই মাত্র ম্যাচ হেরেছে। ২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে ০-২ ব্যবধানে হেরেছিল। ১২ বছর পর এবার ভারতের সামনে রবিবার নিউজিল্যান্ডের সম্মান বাঁচানোর লড়াই। ম্যাচ হারলে ১২ বছর পর ফের ঘরের মাঠে টি-২০তে হোয়াইটওয়াশ হবে নিউজিল্যান্ড।
একই দল ধরে রেখেই খেলতে চাইবে ভারত
বে ওভালে ফাইনাল টি-২০ ম্যাচে চতুর্থ ম্যাচের উইনিং কম্বিনেশন ধরে রেখেই খেলতে চাইবে ভারত। দলে কোনও পরিবর্তন হলে, সেক্ষেত্রে লোকেশ রাহুলের পরবর্তে উইকেটকিপার ব্য়াটসম্যান হিসেবে ঋষভ পন্থ খেলতে পারেন। সেক্ষেত্রে অবশ্য ওপেনিংয়ে ফের নতুন কাউকে আসতে হবে। সেকারণে রাহুলই সম্ভবত প্রথম পছন্দ হিসেবে দলে থাকবেন।পন্থের সুযোগ পাওয়ার সম্ভবনা কম।
অন্যদিকে শেষ ম্যাচে বাঁ-কাঁধের চোটের জন্য বিপক্ষ শিবিরে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন দলের বাইরে ছিলেন। সিরিজের শেষ ম্যাচে দলের সঙ্গে জুড়তে পারেন কেন। সিরিজে তৃতীয় ম্যাচে ৯৫ রান হাঁকিয়েছেন। সিরিজের প্রথম ম্যাচে তাঁর ব্যাটে হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে।