
ইয়ন মর্গ্যান
এই মুহূর্তে ইনিই এখন নাইটদের প্রথম চয়েস হতে পারেন। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডকে প্রথমবারের জন্য পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন করেছেন। সীমিত ওভারে বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান হিসেবে দারুণ সফল। সেই সঙ্গে ঠাণ্ডা মাথার ক্ষুরধার অধিনায়ক। দীনেশের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন নাইটদের বাঁ-হাতি। নিলামে মর্গ্যানের জন্য ৫.২৫ কোটি খরচ করেছে কেকেআর।

শুভমান গিল
সেকেন্ড চয়েস অবশ্যই তরুণ তুর্কি শুভমান গিল। ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে রয়েছেন। শেষ মরসুমে কেকেআর জার্সিতে দাগ কেটেছিলেন। ২০১৯ সালে নাইটদের হয়ে ১৪ ম্যাচে ২৯৬ রান করেন। যার মধ্য়ে ৩টি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে। গৌতম গম্ভীর নেতৃত্ব ছাড়ার পর তরুণ শ্রেয়সের উপর দায়িত্ব দিয়ে শেষ মরসুমে দিল্লি ক্যাপিটালস সাফল্য পেয়েছিল। এবার দীনেশের অনুপস্থিতি তৈরি হলে অধিনায়ক হিসেবে শুভমানকে পরখ করতে পারে কেকেআর।

সুনীল নারিন
ঠান্ডা মাথার এই ক্রিকেটার কেকেআরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছেন। নাইটদের সেরা এই মিস্ট্রি স্পিনার কেকেআরকে গৌতম গম্ভীর জমানায় চ্যাম্পিয়নও করেছেন। ২০১২ ও ২০১৪ সালে কেকেআরে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন নারিন। পরবর্তী সময়ে ব্যাট হাতে ওপেনার হিসেবে নতুন ভূমিকায় বিধ্বংসী হয়ে উঠে চমক দিয়েছেন। নাইটদের হয়ে ১১০ ম্যাচে ৭৭১ রান ও ১২২ টি উইকেট নিয়েছেন সুনীল। বোলিং-ব্যাটিংয়ের পর এবার অধিনায়ক হিসেবে ও চমক হতে পারেন নারিন।

আন্দ্রে রাসেল
দীনেশ কার্তিকের অনুপস্থিতি থাকলে নেতা হওয়ায় এগিয়ে রয়েছেন আন্দ্রে রাসেল। বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান গত মরুসুমে ধুয়াধার ব্যাটিং করেছেন। দলের হয়ে ১৪ ম্যাচ খেলে ৫১০ রান হাঁকান। ৫২ টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন রাসেল। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি নেতৃত্বে চাপটাও দারুণ সামলাবেন বলে মনে হয়।


Click it and Unblock the Notifications


















