
শ্রীনাথের কেরিয়ার
ভারতের হয়ে ৬৭টি টেস্ট, ২২৯টি ওয়ান ডে ম্যাচ খেলা জাভাগাল শ্রীনাথ দুই ফর্ম্যাটে যথাক্রমে ২৩৬ ও ৩১৫টি উইকেট নিয়েছেন। ১৯৯১ সালে ভারতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হওয়া এই ক্রিকেটার ২০০৩ সালে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন। ২০০৩-র বিশ্বকাপ ফাইনালে শেষবার বাইশ গজে দেখা গিয়েছিল শ্রীনাথকে।

২০০২-এর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর
২০০২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ক্রিকেট দল। সেই সফরে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল জাভাগাল শ্রীনাথকে। অথচ তিনি ওই সফরে যেতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ভারতীয় কিংবদন্তি। তা সত্ত্বেও নির্বাচকরা তাঁকে বিশ্রাম নিতে বাধ্য করেছিলেন বলে জানিয়েছেন শ্রীনাথ।

ইংল্যান্ড সফর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর ইংল্যান্ডে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। নাসের হুসেনদের বিরুদ্ধে চারটি টেস্ট ম্যাচ খেলছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় শিবির। ওই সিরিজের জন্য মহারাজ তাঁকে জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন পেসার। কিন্তু তিনি এতটাই বিরক্ত এবং হতাশ ছিলেন যে সৌরভের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন শ্রীনাথ।

বিশ্বকাপ
তবে হাল ছাড়ার পাত্র ছিলেন না বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও। অভিমানী সতীর্থ জাভাগাল শ্রীনাথের নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন মহারাজ। ক্ষুব্ধ ফাস্ট বোলারকে শান্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন সৌরভ। কারণ কর্নাটকী পেসারের অভিজ্ঞতা ২০০৩ বিশ্বকাপে কাজে লাগাতে চাইছিলেন মহারাজ। পরে মাথা ঠাণ্ডা হয় শ্রীনাথেরও। অধিনায়ক সৌরভের কথায় তিনি রাজিও হয়ে যান। নিউজিল্যান্ড সফর এবং ২০০৩ বিশ্বকাপের জন্য ভারতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঘটে শ্রীনাথের।

শ্রীনাথের বিশ্বকাপ
আসলে ২০০৩ বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিলেন জাভাগাল শ্রীনাথ। তা জানতেন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাই নির্বাচকদের সঙ্গে কার্যত লড়াই করেই কর্নাটকী পেসারকে দলে রেখেছিলেন মহারাজ। ওই টুর্নামেন্টের ১১ ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়ে অধিনায়কের বিশ্বাসকে মর্যাদা দিয়েছিলেন কিংবদন্তি শ্রীনাথ।


Click it and Unblock the Notifications
ক্রিকেটের প্রতি সুশান্তের এই নিষ্ঠা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন ধোনি


















