
খেলা ছেড়ে প্রশাসক
খেলা ছেড়ে ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে শুরু করেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল বা সিএবি-র তৎকালীন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার হাত ধরে শুরু হয় মহারাজের সেকেন্ড ইনিংস।

২০১৫ সালে সিএবি সভাপতি
শুরুর দুই বছর সিএবি-র যুগ্ম সচিব পদে কাজ করেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৫ সালে সিএবি-র সভাপতি থাকাকালীনই প্রয়াত হন বিসিসিআই ও আইসিসি-র প্রাক্তন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়া। এরপর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের সভাপতি বাছা হয়।

দ্বিতীয়বার নির্বাচিত সৌরভ
চলতি বছরেই দ্বিতীয়বার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল বা সিএবি-র সভাপতি নির্বাচিত হন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এই নিয়ে ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে চার বছর কাটিয়ে দিলেন মহারাজ।

ছয় বছরের ব্যারিকেড
দুর্নীতি রোধে বিসিসিআই-র জন্য নতুন সংবিধান রচনা করে দেশের সুপ্রিম কোর্ট। তাতে জানানো হয় যে দেশের কোন ক্রিকেট প্রশাসক এক টানা ছয় বছরের বেশি পদে বহাল থাকতে পারবেন না। ২০২০-র সেপ্টেম্বরে ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে এক টানা ছয় বছর কাটানো হয়ে যাবে। তাই এরপর তাঁকে বিশ্রামে পাঠানো হবে।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ১০ মাস বিসিসিআই-র সভাপতি থাকতে পারবেন মহারাজ। বোর্ডের খোলনোলচে পরিবর্তনের জন্য মহারাজের কাছে এই দশ মাসই যথেষ্ট বলে মনে করেন দেশের ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।


Click it and Unblock the Notifications



















