
শ্রীনিবাসন অধ্যায়
২০১১ সালে শশাঙ্ক মনোহরের পরিবর্তে বিসিসিআই-র সভাপতি নির্বাচিত হন ইন্ডিয়া সিমেন্টের মালিক এন শ্রীনিবাসন। ২০১৪ সালে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি-র চেয়ারম্যানও হন চেন্নাই সুপার কিংসের মালিক । ২০১৩ সালে সেই আইপিএল স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে নাম জড়ায় এন শ্রীনিবাসনের। ২০১৪ সালে ওই মামলার এক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট শ্রীনিবাসনকে বিসিসিআই-র সভাপতি পদ ছাড়তে বলে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কাজ চালিয়ে যান তিনি। ২০১৫ সালে আইসিসি-র চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয় এন শ্রীনিবাসনকে।

পরবর্তী অধ্যায়
এন শ্রীনিবাসন যুগের তিক্ত অভিজ্ঞতায় বিরক্ত হয় দেশের সুপ্রিম কোর্ট। বিসিসিআই-কে স্বচ্ছ করা যায় কীভাবে, তা নির্ধারণ করতে বিচারপতি আইএম লোধার নেতৃত্বে একটি প্যানেল তৈরি করে দেশের শীর্ষ আদালত। সেই প্যানেলের সুপারিশ মতো বিসিসিআই-র জন্য নতুন সংবিধান তৈরি হয়। নজরদারির জন্য ভারতীয় বোর্ডের মাথায় কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এবং এথিক্স অফিসারকে বসানো হয়।

সমস্যা
সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারিত বিসিসিআই-র নতুন সংবিধান একদিকে যেমন স্বচ্ছতার ফেরানোর প্রশ্নে অমূল্য, উল্টো দিকে কড়া অনুশাসনের জেরে কখনও কখনও বোর্ডের কার্যপদ্ধতি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও দাবি অনেকের।

সৌরভের কাজ
এমন পরিস্থিতি বিসিসিআই-র সভাপতি হিসেবে সংস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা যেমন মূল কাজ হবে, ঠিক তেমনই কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও এথিক্স অফিসারের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে কাজ করে চলাও তাঁর অন্যতম দায়িত্ব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সৌরভ তা পারবেন বলেই বিশ্বাস করেন দেশের ক্রীড়া প্রেমীরা। বাংলার মহারাজের ক্রিকেটীয় মস্তিষ্ক ও অভিজ্ঞতা সেই কাজে তাঁকে ফুল মার্কস নিয়ে পাশ করাবে বলে বিশ্বাস সৌরভ ভক্তদের।


Click it and Unblock the Notifications



















