
শ্যুটিং
২০০৪-র এথেন্স অলিম্পিকে রূপো জিতে শ্যুটিংয়ে ভারতের হয়ে পদকের খাতা খোলেন রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ভারতকে রূপো এনে দিয়েছিলেন বিজয় কুমার ও গগণ নারাঙ। তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে সৌরভ চৌধুরী, অঞ্জুম মৌদগিল, অপূর্বী ছান্দেলা, অভিষেক বর্মা, মনু ভাকররা টোকিও অলিম্পিকে কিছু করে দেখাতে বদ্ধপরিকর।

ব্যাডমিন্টন
লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জেতা সাইনা নেওয়াল ও রিও অলিম্পিকে রূপোজয়ী পিভি সিন্ধু টোকিও অলিম্পিকে ভারতকে আবারও পদক এনে দিতে পারেন। পুরুষ বিভাগে কিদাম্বি শ্রীকান্তের নাম ভুললে চলবে না।

বক্সিং
২০০৮ বেজিং অলিম্পিকের ৭৫ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ জেতেন ভারতের বিজেন্দ্র সিং। চার বছর পর লন্ডন অলিম্পিকে ভারতের হলে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন এমসি মেরি কম। কিন্তু এরপর থেকে দেশের বক্সাররা সেভাবে কেরামতি দেখাতে পারেননি বলা চলে।

ট্র্যাক এবং ফিল্ড
১৯ দিনে আলাদা প্রতিযোগিতায় ৫টি সোনার পদক জেতা হিমা দাস, দৌড়বিদ দ্যুতি চাঁদ, জ্যাভলিন থ্রো-তে নীরজ চোপড়া, অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মনরা টোকিও অলিম্পিকে কামাল দেখাতে পারেন বলে আশা। এঁরা প্রত্যেকেই ভারতকে পদক এনে দিয়েছেন।

জিমন্যাস্টিক
রিও অলিম্পিকের পোল ভল্টে চতুর্থ হওয়া ত্রিপুরার দীপা কর্মকারের উপর এবারও নজর থাকবে ভারতের।

তিরন্দাজি
অতনু দাস, তরুণদীপ রাই, প্রবীণ যাদবের দলগত তিরন্দাজি দলের কাছে অলিম্পিকে পদক আশা করছে ভারত।

হকি
নভেম্বরে টোকিও অলিম্পিকের চূড়ান্ত কোয়ালিফায়ার খেলবে ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দল। যোগ্যতা অর্জন তো বটেই, অলিম্পিকে ভালো খেলার ব্যাপারেও আশাবাদী ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দল।

কুস্তি
গত অলিম্পিকে ভারত যে দুটি পদক জিতেছিল, তার মধ্য়ে একটি ছিল কুস্তিতে। ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সাক্ষ্মী মালিক। সেই সাক্ষ্মীর পাশাপাশি পুরুষ বিভাগে বজরং পুনিয়া এবার ভারতকে পদক এনে দিতে পারে বলে আশা।


Click it and Unblock the Notifications



















