
এই সময় অধিকাংশ ম্যাচই ৫ দিনের কমে শেষ হয়
২০১৯ সালে অধিকাংশ টেস্ট ম্যাচই পাঁচদিনের আগে শেষ হয়েছে। আগের বছর ৬৮ শতাংশ টেস্ট ম্যাচ চার বা তার কম দিনেই শেষ হয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালে ৫৬.২৫ শতাংশ ও ২০১৭ সালে ৪৭.৮৩ শতাংশ ম্যাচ চার বা তার কম দিনে শেষ হয়েছে।

রেজাল্টভিত্তিক ম্যাচ
ক্রিকেট দুনিয়ার অনেকে মনে করছে, চার দিনের ম্যাচ হলে আখেরে টেস্ট ক্রিকেটেরই উন্নতি হবে। টেস্টে একদিন কমলে আরও বেশি স্পোর্টিং পিচে খেলা বাড়বে। সেক্ষেত্রে টেস্টে ড্রয়ের সংখ্যা কমবে আর রেজাল্টভিত্তিক ম্যাচের সংখ্যা বাড়বে।

বিপক্ষে যুক্তি
টেস্ট ক্রিকেটে পঞ্চম দিনের আলাদা একটা গুরুত্ব রয়েছে। পঞ্চম দিনে স্পিনারদের দাপট দেখা যায়। যেমনটা দেখা গিয়েছিল ২০০১ সালে ইডেন টেস্টে। ম্যাচের পঞ্চম দিন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ডুয়েলের মোড় ঘুরিয়ে ম্যাচ জিতেছিল ভারত। টেস্ট খেলার ইতিহাসে এটি ঐতিহাসিক ম্যাচ।

দিন সংখ্যা কমলে পিচ নিয়ে আশঙ্কা
দিন সংখ্যা কমলে উল্টোটাও হতে পারে। ম্যাচে ফল পাওয়ার আশায় পিচের চরিত্রে পাল্টে ফেলা হতে পারে। এতে চারের বদলে ২ বা ৩ দিনেও ম্যাচ শেষ হতে পারে। স্পিনারদের সুবিধের জন্য ব়্যাঙ্ক টার্নার বা পেসারদের জন্য় সিমিং উইকেট তৈরি হলে নিরপেক্ষ উইকেটে খেলার প্রবণতা কমবে।

থ্রিলার ম্যাচের সংখ্যা কমবে
২০১৯ সালে লিডসে অস্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ড থ্রিলার টেস্ট। যে ম্যাচে শেষ দিনের শেষ বেলায় ১ উইকেটের পুঁজিতে ভর কর স্টোকসের অপরাজিত ১৩৫ রানে ভর করে ম্যাচ জেতে ইংল্যান্ড। স্টোকসের সঙ্গে শেষ উইকেটে ক্রিজে ছিলেন জ্যাক লিচ। চার দিনের টেস্ট হলে এমন থ্রিলার ম্যাচের সংখ্যা কমবে বলে অনেকে মনে করছেন।


Click it and Unblock the Notifications





















