
টপ অর্ডারের ব্য়াটিং
পুজারা জানিয়েছেন প্রথম দুই সেশনে খুব ভাল বল করছিলেন অস্ট্রেলিয়রা। এরকেবারে নিখুঁত জায়গায় বল রাখছিলেন তারা। তিনি নিজে আলগা বলের জন্য ধৈর্য ধরকে অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু এই কাজটাই ভারতের অন্যান্য প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যানদের করতে দেখা যায়নি। পুজারা সাফ জানান, 'টপ অর্ডারের আরও ভাল ব্যাট করা উচিত ছিল।' তবে নিজেদের ভুল থেক তারা শিক্ষা নেবে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

নিজের ইনিংস
তিনি জানিয়েছেন তাঁর এদিনের ইনিংস দীর্ঘ দিনের প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট ও টেস্ট ক্রিকেটের অভিজ্ঞতার ফসল। প্রথম দিকে নিজেকে গুটিয়ে রাখলেও শেষে অশ্বিন ও ইশান্ত শর্মার সঙ্গে ব্য়াট করার সময়ে তাঁকে বেশ হাত খুলে মারতে দেখা গিয়েছে। পুজারা জানিয়েছএন, টেল এন্ডাররা কতক্ষণ উইকেটে টিকতে পারবেন, সেই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা থাকে না। এছাড়া প্রথম দুই সেশনে ব্য়াট করে তিনি পিচের পেস বাউন্স-এর সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছিলেন। তাই শেষের দিকে বেশ কিছু শট খেলেছেন।

ভারতের রান
দিনের শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ভারত ২৫০ রান তুলেছে। আপাত দৃষ্টিতে রানটা বেশ কম মনে হলেও পুজারার মতে এই উইকেটের নিরিখে রানটা যথেষ্ট। তিনি জানান, টিভিতে দেখে অনেকসময়ই মনে হয় উইকেটে বিশেষ কিছু নেই। কিন্তু এই উইকেটে ব্যাটিং-এর অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর মনে হয়েছে এখানে ব্যাট করাটা বিশেষ সহজ নয়। উইকেটে ঘুর্ণিও আছে। যার জন্য অশ্বিন বড় ভূমিকা নিতে পারেন বলে তাঁর ধারণা। আর কোন লাইন লেন্থে বল করলে ব্যাটসম্য়ানদের মুশকিলে ফেলা যাবে তা তিনি দলের জোরে বোলারদের বাতলে দেবেন বলেও জানিয়েছেন।

অ্যাডিলেড ওভালের উইকেট
পুজারা জানান, যে পিচে খেলা হচ্ছে তা 'ডাবল পেস্ড'। পিচে ঘাস আছে ঠিকই, কিন্তু সেই ঘাসে পড়ে কোনও কোনও বল স্কিড করে ব্যাটে দ্রুত আসছে, আবার কোনও কোনও বল ঘাসে আটকে আস্তে হয়ে যাচ্ছে। কাজেই অস্ট্রেলিয় ব্যাটম্য়ানদের কাজটাও সহজ হবে না।

পুজারার ব্য়াটে ছয়
এই ভারতীয় দলে ছয় মারার জন্য বিখ্য়াত অনেকে। রোহিত আছেন, কুলদীপ আছে। কিন্তু পুজারাকে সাধারণত তুলে মারতে দেখা যায় না। সেই তিনিই এদিন ইনিংসের শেষ দিকে ২টি ছছয় মেরেছেন। এই প্রসঙ্গে দিনেরক নায়ক জানিয়েছেন, এই টেস্ট সিরিজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তিনি বেশ কিছু নতুন শট রপ্ত করেছেন। এই দুটি ছয় সেই প্রস্তুতিরই ফসল। তবে কোন শট এই পিচে খেলতে পারবেন আর কোনগুলি বাদ দিতে হবে, তা বোঝার জন্য তাঁকে দুই সেশন ব্যাট করতে হয়েছে।


Click it and Unblock the Notifications




















