
লুঙ্গি এনগিদি - দক্ষিণ আফ্রিকা
বছরের শুরুতেই নতুন দক্ষিণ আফ্রিকান বোলিং প্রতিভা হিসেবে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন এনগিদি। গত জানুয়ারিতে সেঞ্চুরিয়নে টেস্ট ক্যাপ পেয়েই তাকে কাজে লাগিয়েছিলেন তিনি। ভারতের বিরুদ্ধে টেস্টে ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিংকে ১৫১ রানে গুটিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এখনও পর্যন্ত ৪ টেস্টে ১৯.৬৩ গড়ে তিনি ১৫ উইকেট দখল করেছেন। বছরের শুরুতে অবসর নেওয়া মর্নি মর্কেলের জায়গায় ইতিমধ্য়েই তিনি বেশ মানিয়ে নিয়েছেন।

ঋষভ পন্থ - ভারত
ইংল্যান্ড সফরের প্রথম দুই ম্য়াচে দীনেশ কার্তিকের খারাপ ব্য়াটিং প্রদর্শনের পর তৃতীয় টেস্টে অভিষেক হয় ভারতের উইকেটরক্ষক ও আগ্রাসী ব্যাটসম্য়ান ঋষভ পন্থের। সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্টেই ওভালে তিনি শতরান (১১৪) করেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে শতরান করা প্রথম ভারতীয় উইকেটরক্ষক হন তিনিই। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ঘরের মাটে দুবার ৯২ রানে আউট হন তিনি। উইকেটের পিছনে এখনও সেভাবে প্রভাবিত করতে না পারলেও অ্যাডিলেড টেস্টে তিনি ১১টি ক্যাচ নিয়ে বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করেছেন।

বেন ফোকস - ইংল্যান্ড
জনি বেয়ারস্টো আহত থাকায় শ্রীলঙ্কা সফরের ইংল্যান্ড দলে সুযোগ পেয়েছিলেন উইকেটরক্ষক ব্য়াটসম্য়ান বেন ফোকস। তিনিও উইকেটরক্ষক ব্য়াটসম্য়ান হলেও ঋষভের মতো আগ্রাসী নন, বরং ধ্রুপদী। গলে তাঁ অভিষেক টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপদের মুখে রুখে দাঁড়িয়ে তিনি অমূল্য ১০৭ (২০২) রান করেন। পরের টেস্টে পাল্লিকেলে-তেও একটি দ্রুত অর্ধশতরান করেছেন।

পৃথ্বী শ - ভারত
ভারতের নয়াতম ব্য়াটিং সেনসেশন পথ্বী। ইংল্য়ান্ড সফরে শেষ দুই ম্যাচে তিনি ভারতীয় দলে ডাক পেলেও প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি। ঘরের মাঠে রাজকোটে ওয়েস্টইন্ডিজের বিরুদ্ধে সুযোগ পেয়েই তাকে দুহাতে লুফে নিয়েছিলেন এই বিস্ময় প্রতিভা। প্রথম ইনিংসেই ১৯টি চার মেরে ১৫৪ বলে ১৩৪ রান করেছিলেন। পরের টেস্টে আরও একটি অর্ধশতরান করেন। চোটের জন্য চলতি অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলতে না পারলেও নিঃসন্দেহে আগামী দিনে তিনি ভারতীয় দলের ব্যাটিংয়ের স্তম্ভ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখিয়েছেন তিনি।

স্য়াম কুরান - ইংল্য়ান্ড
তাঁর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সই ইংল্যান্ড বনাম ভারত সিরিজে প্রধঝান তফাত গড়ে দিয়েছিল। এজবাস্টনে অভিষেক টেস্টেই তিনি ২৪ ও ৬৩ রান করেন ও মোট ৫ উইকেট দখল করেছিলেন। ট্রেন্ট ব্রিজে বাদ পড়লেও সাউদাম্পটনেই তিনি দারুণভাবে ফিরে এসেছিলেন। তিনিই সিরিজের সেরা হন। দেশের বাইরে শ্রীলঙ্কার মাটিতেও তিনি সফল হয়েছেন। এখনও অবধি তিনি টেস্টে ৪০০-এর উপর রান করেছেন এবং ১৪টি উইকেট দখল করেছেন।

জসপ্রিত বুমরা
বুমরার বোলিং অ্যাকশন দেখলে সকলেই তাঁকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের খাতায় ফেলে দেবেন। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর সাফল্য পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলবেনই। এই বছর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিনি টেস্ট ক্যাপ পান। আর তারপর রাতারাতি সাফল্য আসে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডে। জোহানেসবার্গ টেস্টেই তিনি জীবনের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট দখল করেন। চোটের জন্য প্রথম দুই টেস্টে না খেললেও ইংল্যান্ডে তৃতীয় টেস্টেই তিনি দ্বিতীয়বার ৫ উইকেট নেন। এখনও অবধি মাত্র ৮ টেস্ট খেলেই তিনি ৩৯ উইকেট দখল করেছেন। সবচেয়ে বড় কথা শামি, ইশান্ত, ভুবনেশ্বর, উমেশের সঙ্গে মিলে তিনি ভারতীয় জোরে বোলিংকে অন্যস্তরে নিয়ে গিয়েছেন।


Click it and Unblock the Notifications




















