
বিরাট কোহলি - ১৫৩, সেঞ্চুরিয়ন
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ৩৩৫ রান তুলেছিল। অপর দিকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়লেো একপ্রান্তে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন বিরাট। তাঁর ২১৭ বলে ১৫৩ রানের দৌলতে ভারত ৩০৭ রানে পৌঁণছেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে কোনও ভারতীয় ব্যাটসম্যানই দাঁড়াতে না পারায় ভারত পরাজিত হয়েছিল সেই টেস্টে।

বিরাট কোহলি - ১৪৯, বার্মিংহাম
ইংল্য়ান্ডকে প্রথম ইনিংসে ২৮৭ রানে বেঁধে রাখার পর কেপটাউনের মতোই এক্ষেত্রেও ভারতীয় ইনিংসের কান্ডারি ছিলেন কোহলি। ভারতীয় ব্য়াটিংয়ে কোহলির পরের সর্বোচ্চ রান ছিল শিখর ধাওয়ানের ২৬! কেপটাউনের টিত্রনাট্য মেনেই দ্বিতীয় ইনিংসে ফের ভেঙে পড়ে ভারতের ব্য়াটিং লাইনআপ। ভারত পরাজিত হয় ৩১ রানে।

বিরাট কোহলি - ৯৭ ও ১০৩, নটিংহাম
প্রথম ইনিংসে ৯৭ রান করে ভারতকে ৩২৯ রানের সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দিয়েছিলেন কোহলি। হার্দিক ৫ উইকেট নিয়ে ইংল্য়ান্ডকে ১৬১ রানে গুটিয়ে দিয়েছিলেন। ১৬৮ রানে এগিয়ে থাকা অবস্থায় ১০৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলে ইংল্যান্ডের উপর চাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন বিরাট। ভারত এই ম্য়াচ জিতেছিল ২০৩ রানে।

বিরাট কোহলি - ১২৩. পার্থ
এই নিয়ে ২০১৮ সালে তৃতীয়বার ভারতের স্কোরকে কোহলি একা টেনে নিয়ে গিয়েও ম্য়াচ জেতাতে পারেননি। কঠিন উইকেটে কিভাবে অস্বাভাবিক গতি ও নাথান লিয়নের মতো চতুর অফস্পিনারকে সামলাতে হয়, দেখিয়ে দিয়েছেন কোহলি। এটি ছিল তাঁর ২৫তম টেস্ট শতরান। ব্র্যাডম্য়ান (৬৮ ইনিংস)-এর পর কোহলি ২৫তম টেস্ট শতরানে পৌঁছানো দ্বিতীয় দ্রুততম ব্য়াটসম্য়ান হন। কিন্তু ভারত শেষ পর্যন্ত ১৪৬ রানে হারে।

চেতেশ্বর পুজারা - ১৩২*, সাউদাম্পটন
ঘরে দারুণ বাইরে ভাল নয়, এই তকমা ঘোচানোর কাজটা পুজারা শুরু করেছিলেন সাউদাম্পটনের এই ইনিংস দিয়ে। তাঁর অপরাজিত ১৩২ রানের দৌলতেই ভারত প্রথম ইনিংসে লিড পেয়েছিল। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪৫ রান তাড়া করতে নেমে ভারত ১৮৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল।

ঋষভ পন্থ - ১১৪, ওভাল
ভারতের সামনে জয়ের জন্য ৪৬৪ রানের পাহাড় ছিল। জবাবে ভারত ছিল ১২১/৫-এ। কিন্তু কেএল রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে লড়ে দেখিয়েছিলেন ঋষভ পন্থ। ষষ উইকেটে ২০৪ রান যোগ করেন তাঁরা। এমনকী একসময় ভারতের জয়ের আশাও দেখা দিয়েছিল।য কিন্তু শেষে ভারত ১১৮ রানে পরাজিত হয়।

চেতেশ্বর পুজারা - ১২৩, ৭১ অ্যাডিলেড
অ্যাডিলেডের পিচে স্বাভাবিকভাবে শট খেলা কঠিন ছিল। রান করতে সমস্য়ায় পড়েছিলেন ভারতের প্রায় সব ব্য়াটসম্য়ান। কিন্তু সেখানেই সেরাটা বেরিয়ে এসেছিল পুজারার। তাঁর ১২৩ রানের পরের সর্বোচ্চ ছিল রোহিত শর্মার ৩৭। দ্বিতীয় ইনিংসেও ৭১ রানের একটি সাবলিল ইনিংস খেলেন। রাহানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ৩২৩ রানের ক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়া ৩১ রানে পরাজিত হয়।

পৃথ্বী শ - ১৩৪, রাজকোট
প্রতিপক্ষ খুব একটা চ্যালেঞ্জিং না হলেও পৃথ্বীর উপর ছিল প্রত্যাশার চাপ এবং এটাই ছিল এই টিনএজারের অভিষেক ইনিংস। ১৯টি চার মেরে ১৫৪ বলে ১৩৪ রান করেছিলেন। ওই ইনিংসই ভারতের ভবিষ্যতের তারকার আগমনের ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছে।


Click it and Unblock the Notifications




















