ফিরে দেখা: গৌতম গম্ভীরের ঝলমলে ক্রিকেট-কেরিয়ারের সেরা কিছু মুহূর্ত

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে এক ১১ মিনিট দীর্ঘ আবেগঘন ভিডিও প্রকাশ করে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন গৌতম গৌতম গম্ভীর। ১৮ বছরের দীর্ঘ ক্রিকেট কেরিয়ারে কিন্তু অনেক মাইলফলকই স্পর্ষ করেছেন ভারতের এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। একটা সময় ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই ভারতের নির্ভরযোগ্য ব্য়াট ছিলেন তিনি।

ফিরে দেখা: গৌতম গম্ভীরের ঝলমলে ক্রিকেট-কেরিয়ারের সেরা কিছু মুহূর্ত

২০০৮ সালে ৭০-এর উপর গড় নিয়ে একবছরে গম্ভীর করেছিলেন ১১৩৪ রান। আর তার পরের বছর ৭২৭ রান করেছিলেন বিস্ময়কর ৯০.৮৭ গড়ে! যার জন্য সেই বছর আইসিসির টেস্ট ব্যাটসম্য়ানদের ক্রমতালিকায় তিনিই ছিলেন শীর্ষে। তাঁর অবসরের সময়ে মাইখেল বেঙ্গলি এই ৩৭ বছর বসয়ী বাঁহাতির কেরিয়ারের সেরকমই কিছু উজ্জ্বলতম মুহূ্ত তুলে ধরল।

বিশ্ব টি২০ ফাইনাল (২০০৭)

বিশ্ব টি২০ ফাইনাল (২০০৭)

একে প্রথম টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল, তার উপরে সামনে ছিল চির-প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান। সেই হাই টেনশন ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৫৪ বলে ৭৫ রান করে গম্বীরই ভারতের ২০ ওভারে ১৫৭/৫ স্কোরের ভিত গড়ে গিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভারত ৫ রানে জয়ী হয়েছিল, যেখান থেকে ভারতীয় ক্রিকেটে সূচনা হয়েছিল ধোনি-যুগের। জোহানেসবার্গের সেই রাত যতটা ছিল তরুণ ভারতীয় দলের, ততটাই ছিল গম্ভীরেরও।

আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনাল (২০১১)

আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনাল (২০১১)

ওয়াঙ্খেরে স্টেডিয়ামে ভারতের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতার সিগনেচার মুহূর্ত বলতে সকলেরই মনে পড়ে নুয়ান কুলশেখারাকে মারা দোনির বিশাল ছয়-এর কথা। কিন্তু ধোনির আগে ভারেতর ইনিংসের ভিত গড়েছিলেন কিন্তু গম্ভীরই। ৯টি চার-সহ ১২২ বলে ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। ২৭৫ রাীন তাড়া করতে নেমে ৩১ রানের মধ্যেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ ও সচিন তেন্ডুলকার। সেখান থেকে বিরাট কোহলি ও ধেনির সঙ্গে গম্ভীর দুটি মহা গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ভারতের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।

১৩৭ বনাম নিউজিল্যান্ড, নেপিয়ের (২০০৯)

১৩৭ বনাম নিউজিল্যান্ড, নেপিয়ের (২০০৯)

নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৩১৯ রান করেছিল। জবাবে প্রথম ইনিংসে ভারতীয় ব্য়াটিংয়ের ভরাডুবি হয়। ফলোঅনে যখন ভারত ব্য়াট করতে নেমেছিল, তখন সবাই ধরেই নিয়েছিলেন ভারত এই ম্য়াচ হারছে। কিন্তু অন্যরকম ভেবেছিলেন গম্ভীর। রাহুল দ্রাবিড়ের (২২০ বলে ৬২) সঙ্গে গম্ভীর ৪৩৬টি বল খেলে ১৮টি চার মেরে ১৩৭ রান করে সেই ম্যাচ বাঁচিয়েছিলেন। ভারতের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এই ড্র ম্য়াচ স্মরণীয় হয়ে আছে।

আইপিএল - কেকেআর অধিনায়ক

আইপিএল - কেকেআর অধিনায়ক

২০১১ সালের আইপিএল-এ গম্ভীর কেকেআরদলের নেতৃত্বের দায়ীত্ব নিয়েছিলেন। তার আগে পর্যন্ত আইপিএল-এ কেকেআর সামান্যতমও প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। কিন্তু গম্ভীরের নেতৃত্ব বদলে গিয়েছিল সোনালী-বেগুনী শিবিরের ভাগ্য। প্রথম বছর না হলেও তারপর ২০১২ ও ২০১৪ সালে দুই -দুইবার নাইটদের চ্যাম্পিয়ন করেন তিনি। কেকেআর-এই গম্ভীরের নেতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। দেখিয়েছিল চাপের মুখে তাঁর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে। মাঠে তাঁর আবেগ মন ছুঁয়েছিল কলকাতার ক্রিকেট ভক্তদেরও।

দিল্লির যে রঞ্জি ফাইনালে ১৩০ (২০০৭-০৮)

দিল্লির যে রঞ্জি ফাইনালে ১৩০ (২০০৭-০৮)

গম্ভীরের দুর্দান্ত নেতৃত্ব ও ব্যাটিং-ই দিল্লিকে অষ্টম রঞ্জি ট্রফি এনে দিয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে ফাইনালে কঠিন উইকেটে ২৩০ রান তাড়া করতে নেমে ১৭টি চার-সহ তিনি ১৫৪ বলে ১৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। যার জোরে দিল্লি ৯ উইকেটে জিতে যায়।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Story first published: Wednesday, December 5, 2018, 15:42 [IST]
    Other articles published on Dec 5, 2018
    POLLS

    পান মাইখেল-এর ব্রেকিং নিউজ অ্যালার্ট
    mykhel Bengali

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Mykhel sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Mykhel website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more