
চেন্নাইয়ের গড়ে ধোনিদের মুখে
২০১০ ও ২০১১ সালের আইপিএল জেতা দুর্ধর্ষ চেন্নাই সুপার কিংস, ২০১২ সালেও টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছেছিল। প্রতিপক্ষ ছিল গৌতম গম্ভীর নেতৃত্বাধীন কলকাতা নাইট রাইডার্স। চেন্নাই-কে তাদেরই মাঠে হারিয়ে ট্রফি জেতা যে ছিল বেশ কঠিন কাজ, তা মেনে নিয়েছিল শাহরুখ খান শিবির।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
চিপকে হওয়া ওই ফাইনালে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সিএসকে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান তুলেছিল এমএস ধোনি শিবির। ৩৮ বলে ৭৩ রান করেছিলেন সুরেশ রায়না। ৪৩ বলে ৫৪ রান করেছিলেন মাইক হাসি। ১৯১ রানের লক্ষ্যে পৌঁছতে গিয়ে শুরুতেই অধিনায়ক তথা ওপেনার গৌতম গম্ভীরের (২) উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল কেকেআর। এরপর দ্বিতীয় ওপেনার মনবিন্দর বিসলা ও জ্যাক কালিসের মধ্যে ১৩৩ রানের পার্টনারশিপ হয়েছিল। ৮টি চার ও ৫টি ছক্কা সহ ৪৮ বলে ৮৯ রান করে আউট হয়েছিলেন বিসলা। ৪৯ বলে ৬৯ রান করেছিলেন কালিস। ১৯.৪ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিল কলকাতা। ওই ট্রফি জয়ের পর কলকাতায় ব্যাপক সংবর্ধনা পেয়েছিল কেকেআর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ওই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন।

উদযাপনে কেকেআর
ঘটনার অষ্টম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে টুইটারে আইপিএল জয়ের নানা মুহূর্তের ছবি পোস্ট করেছে কেকেআর। ম্যাচের নায়কদের তালিকায় মনবিন্দর বিসলা, গৌতম গম্ভীর, ব্রেন্ডন ম্যাকুলাম, সুনীল নারিন ও ব্রেট লি-র নাম বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেছেন শাহরুখ খান শিবির।
|
মনোজের প্রতিবাদ
২০১২ সালে আইপিএল জয়ী কেকেআর দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন বাংলার মনোজ তিওয়ারি। এমনকী ১৮.৫ ওভারে ১৭৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর মনোজ ও বাংলাদেশি অল রাউন্ডার শাকিব আল হাসানের ১৭ রানের পার্টনারশিপ কলকাতাকে ওই ম্যাচ জিতিয়েছিল। চার মেরে কেকেআরের হাতে ট্রফি তুলে দিয়েছিলেন মনোজ। সেই তিনি কেকেআরের টুইটে নিজের ও শাকিবের নাম খুঁজে না পেয়ে হতাশ হয়েছেন।
|
কেকেআরের ক্ষমা প্রার্থনা
মনোজের টুইটের প্রেক্ষিতে সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। পাল্টা টুইট করে শাহরুখ খান শিবির জানিয়ে দেয়, মনোজ ও শাকিব ওই ম্যাচ জয়ের দুই অন্যতম নায়ক।


Click it and Unblock the Notifications


















