
বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)
স্টোকস-কে নিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট মহলের যে প্রত্যাশা ছিল, তার সবটা পূরণ করকতে না পারলেও গত কয়েক বছরে ব্য়াটিং লাইনআপের ৫ নম্বরে তিনি ধারাবাহিকভাবে খেলে চলেছেন। দুর্দান্ত স্ট্রোক নেওয়ার ক্ষমতায় তিনি এক নিমেষে স্কোরিং রেট তিনগুণ বাড়িয়ে দিতে পারেন। হাতে ক্রিকেটের প্রায় সব শট মজুত আছে। ২০১৯-এ ইংল্য়ান্ডকে বিশ্বকাপ জিততে গেলে স্টোকসকে বড় ভূমিকা নিতে হবে।

গ্লেন ম্য়াক্সওয়েল (অস্ট্রেলিয়া)
আগে উপরের দিকে ব্য়াট করলেও বর্তমানে তিনি অজি দলে ফিনিশারের ভূমিকায় নিজেকে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছেন। পেস ও স্পিন - দুই ধরণের বোলিং-এর বিরুদ্ধেই শট খেলার ক্ষমতাই তাঁকে ডেথ ওভারে বিপজ্জনক করে তুলেছে। একদিনের ক্রিকেটে তাঁর স্ট্রাইক রেট ১২০। নিজের দিনে পৃথিবীর যে কোনও বোলিং আক্রমণকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখেন 'ম্য়াডম্য়াক্স'।

ডেভিড মিলার (দক্ষিণ আফ্রিকা)
'ম্য়াডম্য়াক্স'-এর সঙ্গে তালিকায় আছেন 'কিলার মিলার'-ও। ১০০-এর উপর একদিনের ম্য়াচ খেলা হয়ে গিয়েছে তাঁর। স্রেফ গায়ের জোরেই তিনি ক্রিকেট বিশ্বের যে কোনও মাঠে বলে বলে ছয় মারে পারেন। এ সঙ্গে রয়েছে তাঁর বরফ শীতল মস্তিষ্ক। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বহু ম্য়াচ শেষ করে আসলেও, তাঁর ধারাবাহিকার অভাব ছিল। কিন্তু ডিভিলিয়ার্সের অবসরের পর থেকে বাড়তি দায়িত্ব তাঁকে বদলে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শেষ সিরিজে শেষ তথা নির্ণায়ক ম্যাচে ১৩৮ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলে প্রোটিয়াদের সিরিজ জিতিয়েছেন তিনি।

মহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত)
ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফিনিশার হলেন ধোনি। তবে ২০১৫ বিশ্বকাপের পর থেকে তাঁর ক্ষমতা ক্রমশ কমেছে। এমনকি ভারতীয় সমর্থকদের একাংশ থেকে তাঁকে বাদ দেওয়ার আওয়াজও উঠেছিল। কিন্তু বরাবরই তিনি সমালোচকদের ব্যাটের মাধ্যমেই জবাব দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি সেভাবে মারতে না পারলেও ক্রিজের মধ্যে তীব্র গতিতে রান নেওয়ার দক্ষতার জোরে এখনও তিনি রান তোলার গতি ধরে রাখতে পারেন। তার সঙ্গে রয়েছে বোলারের কয়েক কদম আগে ভাবার অদ্ভূত ক্ষমতা। অ্যাডিলেডে কিন্তু তাঁকে আগের মতো ছয় মেরে ম্য়াচ ফিনিশ করতেও দেখা গিয়েছে।

জস বাটলার (ইংল্য়ান্ড)
অনেকেই এই তালিকায় বাটলারের নাম দেখে অবাক হতে পারেন। কিন্তু গত একবছরে বাটলার নিজের খেলাকে অন্য স্তে তুলে নিয়ে গিয়েছেন। বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বের সেরা ফিনিশার বলা যায় তাঁকে। ওডিআইতে বাটলারের রানের গড় ৩৯.৭, স্ট্রাইকরেট ১১৬.৯৭। তবে কঠিন পরিস্থিতিতে সেরা খেলার বের করে আনার ক্ষমতাই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দিয়েছে। সামান্য কয়েকটি ক্ষেত্র ছাড়া এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্য়ান কিন্তু সবসময়ই দলের চাহিদা পূরণ করেছেন।


Click it and Unblock the Notifications




















