বেঙ্গালুরু, ২৪ মার্চ : বুধবার রাতের হার কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে না গোটা বাংলাদেশ। শুধু পদ্মাপারের দেশ কেন, ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ দেখতে বসা সব ক্রিকেটপ্রেমীই বিস্মিত, কীভাবে জেতা ম্যাচ মাঠে ছেড়ে দিয়ে টি২০ বিশ্বকাপের বাইরে চলে গেল মাশরাফি মোর্তাজার দল।
ম্যাচের শেষ ওভারে বাংলাদেশের জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১১ রান। বল করতে আসেন অনভিজ্ঞ হার্দিক পাণ্ড্য। প্রথম বলে একরান নিয়ে মুশফিকুর রহিমকে স্ট্রাইক দেন মাহমমদুল্লাহ রিয়াধ। পরের ২টি বল পরপর বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দেন মুশফিকুর। দ্বিতীয় বাউন্ডারি মারার পরে মাঠের মধ্যেই হাত পা ছুড়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায় তাঁকে।
এই ঘটনাটি নিয়েই টুইট করেছেন সুরেশ রায়না। মুশফিকুরকে নাম না করে তাঁর খোঁচা, "হাল ছেড়ো না। ম্যাচ জেতার আগে সেলিব্রেট কোরো না।" ঠিক যে কাজটা জেতার আগে করে ম্যাচ মাঠে ছেড়ে এসেছেন মুশফিকুর, মাহমুদুল্লাহরা।
ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে যা হল তা এককথায় ইতিহাস। আর বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য বিপর্যয় বললেও কম বলা হয়। তিন বলে প্রয়োজন ২ রান। একরান করতে পারলেই ম্যাচ টাই হয়ে চলে যেত সুপার ওভারে।
Don't give up till the end Don't celebrate before you win! #IndvsBan Wat a game 👌👍✌️ pic.twitter.com/bej9uAk39W
— Suresh Raina (@ImRaina) 23 March 2016
এই অবস্থায় ইনিংসের শেষ ওভারের চতুর্থ বলে বড় শট মারতে গিয়ে শিখর ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুশফিকুর। তার পরের বলে স্ট্রাইক বদলে স্ট্রাইকিং এন্ডে চলে আসা মাহমুদুল্লাহও একই কাজ করলেন। বড় শট মারতে গিয়ে জাডেজার হাতে ক্যাচ আউট হলেন।
শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ২ রান। ব্যাট করছিলেন শুভাগত হোম। নন স্ট্রাইকিং এন্ডে ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। শেষ বল শুভাগত ব্যাটে না লাগাতে পেরে বাই রান নিতে ছোটেন মুস্তাফিজুর। কিন্তু মহেন্দ্র সিং ধোনির হাতে রান আউট হন। আর এভাবেই জেতা ম্যাচ মাঠে ফেলে আসে বাংলাদেশ।