
মুম্বই বনাম চেন্নাই
২০১০ ও ২০১১ সালে আইপিএল খেতাব জেতা চেন্নাই সুপার কিংস, ২০১২ সালের পর ২০১৩ সালে টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছেছিল। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ওই ফাইনালের আসর বসেছিল ২৬ মে। ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ওজনদার দল বানিয়েও লাগাতার পাঁচ বছর ব্যর্থতার মুখ দেখতে হয়েছিল যাদের।

ধোনি বনাম রোহিত
২০১১-র বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি তখন যা-ই ধরছেন, তা কার্যত সোনা হয়ে যাচ্ছিল। কেবল আইপিএলে পরপর দুই বছরের (২০১২, ২০১৩) বড়সড় ধাক্কা হজম করতে হয়েছিল এমএসের চেন্নাই সুপার কিংসকে। ২০১২ সালে ঘরের মাঠে হওয়া আইপিএল ফাইনাল গৌতম গম্ভীর নেতৃত্বাধীন কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে হারতে হয়েছিল সিএসকে-কে। ২০১৩ সালে অনভিজ্ঞ রোহিত শর্মার নেতৃ্ত্বাধীন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে টুর্নামেন্টের ফাইনালে পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছিল দুর্ধর্ষ চেন্নাইকে।

মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্সের স্কোর
জ্যাম প্যাকড ইডেন গার্ডেন্সে হওয়া ওই আইপিএল ফাইনালে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান তুলেছিল রোহিত শর্মা শিবির। মুম্বইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ বলে ৬০ রান করেছিলেন কাইরন পোলার্ড। সিএসকে-এর হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন ডোয়াইন ব্রাভো।

চেন্নাই সুপার কিংসের জবাব
জবাবে তীব্র ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় চেন্নাই সুপার কিংস। মাত্র ৩৯ রানে ৬, ৫৭ রানে ৭ এবং ৯৯ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলকে লড়াইয়ে ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। ৪৫ বলে ৬৩ রান করেও তিনি ম্যাচ বাঁচাতে পারেননি। মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে ২৩ রানে ওই ফাইনাল হারতে হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস-কে। রোহিত শর্মার দলের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছিলেন লাসিথ মালিঙ্গা, মিচেল জনসন ও হরভজন সিং। এরপর থেকেই আইপিএলে কার্যত মু্ম্বই যুগ শুরু হয়ে যায় বলা চলে।


Click it and Unblock the Notifications
২৫তম বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রী অঞ্জলির জন্য যা রান্না করলেন সচিন তেন্ডুলকর

















