
স্বপ্নের ফর্মে রাহুল, কিংসকে চ্যাম্পিয়ন করে চমক দিতে চাইবেন
দেশের হয়ে টি-২০ ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাহুলের ঈর্ষণীয় ফর্ম আইপিএলে ধরে রাখতে পারলেন অবশ্যই প্রতিশ্রুতিমান ক্রিকেটার হতে পারবেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের ৫ ম্যাচে ২২৪ রান হাঁকিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন। এবার আবার তিনিই কিং ইলেভেন পাঞ্জাবের অধিনায়ক। ফলে নিজের ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি নেতৃত্বের বাড়তি চাপ থাকবে। আইপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম পঞ্চাশ করার নজির রয়েছে। এবার দ্রুততম একশোকে পাখির চোখ করে ঝাঁপাতে পারেন। ২০১৮ সালে ১৪ ম্যাচে ৬৫৯ রান হাঁকিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে ১৪ ম্যাচে রান ৫৯৩।সর্বোচ্চ ১০০ নটআউট ইনিংস ছিল। টুর্নামেন্টে ১টি সেঞ্চুরি ও ৬টি হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন রাহুল। ২০১৯ আইপিএলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। অধিনায়ক হিসেবে এবছর রাহুলের দিকে সবাই প্রত্যাশা থাকবে।

ডেভিড ওয়ার্নার
গত বছর আইপিএলের সর্বাধিক রানের মালিক ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। বল বিকৃতি কাণ্ডে শাস্তি পাওয়ায় ২০১৮ সালের আইপিএল খেলা হয়নি। ২০১৯ সালে প্রত্যাবর্তন করে টুর্নামেন্টের সর্বাধিক রান সংগ্রাহক হন। সেটাও ১২ ম্যাচ খেলে। ১টি সেঞ্চুরি ও ৮টি হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। এরপর ২০১৯ সালে দেশের হয়ে বিশ্বকাপ, টেস্টের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কেরিয়ার সেরা ৩৩৫* করেন। অতীতে ২০১৬ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ওয়ার্নার চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। এবার ফের ফ্র্যাঞ্চাইজি তাঁকে অধিনায়ক হিসেবে ফিরিয়ে। ২০২০-র আইপিএলে ওয়ার্নারের দিকে বিশেষ নজর থাকবে।
হার্দিক পান্ডিয়া
চোটের কারণে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। ২০১৯ সালে সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ টি-২০ ম্যাচ খেলেছিলেন। এরপর পিঠের চোটের জন্য ইংল্যান্ডে গিয়ে অস্ত্রোপচার করতে হয়। ২০২০ সালে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ দিয়ে দেশের হয়ে ২২ গজে ফিরতে চলেছেন। তাঁর আগে ডি ওয়াই পাতিল টি-২০ ম্যাচে ৫৫ বলে ১৫৪ রানে অপারাজিত থেকেছেন। তার আগে এই টুর্নামেন্টে ৩৭ বলে একটি সেঞ্চুরি ইনিংস খেলেছেন পান্ডিয়া। ফলে আইপিএলে পান্ডিয়ার ব্যাট থেকে প্রত্যাশা তুঙ্গে।


Click it and Unblock the Notifications


















