
টসে হার
কটকের ড্রিমস গ্রাউন্ডে টসে জিতে বাংলাকে ব্যাট করার জন্য আমন্ত্রণ জানায় ওড়িশা। মাত্র ৯ ও ৭ রানে সাজঘরে ফিরে যান বাংলার ওপেনার কৌশিক ঘোষ ও অভিমন্যু ইশ্বরণ। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা অভিষেক রমন ১ রানের বেশি করতে পারেননি। ২৪ রান করে আউট হন অর্নব নন্দী। মনোজ তিওয়ারির ব্যাট থেকে আসে মাত্র চার রান। ৪৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলা।

অনুষ্টুপের লড়াই
মনোজ তিওয়ারি আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন বাংলার উইকেটরক্ষক শ্রীবৎস গোস্বামী। তাঁর সঙ্গে অনুষ্টুপ মজুমদারের মধ্যে ৯৫ রানের পার্টনারশিপ হয়। দলের ১৪১ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৩৪-র স্কোরে আউট হন শ্রীবৎস্য। এরপরেই ব্যাট করতে নামেন অল-রাউন্ডার শাহবাজ আহমেদ।

অনুষ্টুপ-শাহবাজ পার্টনারশিপ
টালমাটাল অবস্থা থেকে বাংলাকে টেনে তোলে অনুষ্টুপ মজুমদার ও শাহবাজ আহমেদের পার্টনারশিপ। জুটিতে ১৭১ রান তোলেন দুই ক্রিকেটার। শুক্রবার সকালে ১৫৮ বলে ৮২ রান করে আউট হন শাহবাজ। ২৩৯ বলে ১৫৭ করেন অনুষ্টুপ। পুরোপুরি ব্যর্থ হয় বাংলার লোয়ার অর্ডার।

ওড়িশার জবাব
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১০ রানে প্রথম উইকেট হারিয়েও দুর্দান্তভাবে ম্যাচ ধরে নেন ওড়িশার ওপেনার শান্তনু মিশ্র ও তিনে নামা দেবাশিস সামান্ত্রা। তাঁদের মধ্যে ১২৫ রানের পার্টনারশিপ হয়। দ্বিতীয় দিনের শেষ বেলায় দেবাশিসের (৬৮) উইকেট নেন বাংলার পেসার নীলকান্ত দাস। শান্তনু মিশ্রকে (৬২) ফেরান স্পিনার শাহবাজ আহমেদ। বাংলার পেসার ইশান পোড়েলের বলে আউট হন গোবিন্দ পোদ্দারও। দিনের শেষে ৪ উইকেচ হারিয়ে ১৫১ রান তোলে ওড়িশা।


Click it and Unblock the Notifications




















