
প্রথম দিনের ঘটনা
গত সোমবার শুরু হয় রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল। ঘরের মাঠ রাজকোটে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামে সৌরাষ্ট্র। ওপেনার হার্ভিক দেশাই ও অভি বারটের মধ্যে ৮২ রানের পার্টনারশিপ হয়। ৫৪ রান করে আউট হন অভি। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা বিশ্বরাজ জাদেজাও সৌরাষ্ট্রের হয়ে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন। বাংলার পেসার আকাশ দীপের বলে তিনি বোল্ড হন। ঠিক তখনই ঘটে দুর্ঘটনা।

কী ঘটেছিল সেদিন
উইকেট পতনের পর খেলা থামলে, বাংলার এক ফিল্ডার স্কোয়ার লেগে দাঁড়িয়ে থাকা আম্পায়ার সি শামসুদ্দিনের দিকে বল পাঠান। অন্যমনস্ক থাকায়, তা টের পাননি ওই আম্পায়ার। ফলে বল গিয়ে তাঁর শরীরের নিচের অংশ আঘাত করে। যন্ত্রণা নিয়েই প্রথম দিনে ঠায় আম্পায়ারিং করেন শামসুদ্দিন। রাতে তাঁর তলপেটে অসম্ভব যন্ত্রণা অনুভূত হয়। এন্ডোস্কোপির পর শামসুদ্দিনকে এক সপ্তাহ বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। ফলে ম্যাচের দ্বিতীয় দিন তিনি রাজকোটে আর আম্পায়ারিং করতে নামেননি।

উভয় প্রান্তে একই আম্পায়ার
বিসিসিআই-র রুল বুক অনুযায়ী রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল পরিচালনা করবেন এমন দুই আম্পায়ার যাঁরা ম্যাচ খেলা দুই রাজ্যের প্রতিনিধি নন। ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে চোটগ্রস্ত সি শামসুদ্দিনের পরিবর্তে মাঠে নামা পীয়ূষ কক্কর স্থানীয় আম্পায়ার হওয়ায় তাঁকে স্কোয়ার লেগে দাঁড়িয়েই দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে সেদিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত পিচের দুই প্রান্তেই আম্পায়ারিং করতে হয় অনন্তপদ্মনাভনকে। যদিও ওই সেশনের পর সি শামসুদ্দিনের পরিবর্তে ফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করতে নামেন তৃতীয় আম্পায়ার এস রবি। চোটগ্রস্ত শামসুদ্দিন তখন তৃতীয় আম্পায়ারের ভূমিকা পালন করেন।

পরিবর্ত কে
রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনার জন্য তৃতীয় দিনেই মুম্বই থেকে আম্পায়ার যশবন্ত বরদেকে সৌরাষ্ট্রে উড়িয়ে আনা হয়। কেএন অনন্তপদ্মনাভনের সঙ্গে তিনিই ম্যাচ পরিচালনা করছেন।

প্রশ্ন উঠছে
রঞ্জি ট্রফির মতো দেশের হাই প্রোফাইল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা কেন ঘটবে, প্রশ্ন তুলছেন ক্রিকেট মহল। এর জবাবে বিসিসিআই-র একটা অংশের তরফে জানানো হয়েছে, রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে চতুর্থ আম্পায়ার রাখার লিখিত নিয়ম নেই। তবে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে এ ব্যাপারে বিসিসিআই-তে আলোচনা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।


Click it and Unblock the Notifications



















