
পাঁচ মরশুম পর ট্রফি
১৯৩৪-১৯৩৫ মরশুমে অনুষ্ঠিত হওয়া রঞ্জি ট্রফির প্রথম সংস্করণে অংশ নেয়নি বাংলা। ১৯৩৬-১৯৩৭'র মরশুমে টুর্নামেন্টের ফাইনালে নওয়ানগরের (বর্তমান সৌরাষ্ট্র) কাছে হেরে যেতে হয়েছিল অম্বর রায়, পঙ্কজ রায়, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের রাজ্যকে। এক মরশুম পর ফের রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে ছেছিল বাংলা। সাউর্দান পাঞ্জাবকে হারিয়ে প্রথমবার কাপ হাতে তুলেছিল মনোজ তিওয়ারিদের পূর্বসূরিরা।

ফাইনালে উঠেও হার
১৯৪৩-১৯৪৪, ১৯৫২-১৯৫৩, ১৯৫৫-১৯৫৬, ১৯৫৮-১৯৫৯, ১৯৬৮-১৯৬৯, ১৯৭১-১৯৭২ ও ১৯৮৮-১৯৮৯'র মরশুমে ফাইনালে উঠেও রঞ্জি ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল বাংলার। শেষবার তো দিল্লির বিরুদ্ধে তাদেরই মাঠে শোচনীয় হার হজম করতে হয়েছিল বাংলাকে। এক ইনিংস ও ২১০ রানে ওই ফাইনাল হেরেছিলেন সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। এর বদলাও দারুণভাবেই নেয় বাংলা।

দ্বিতীয় খেতাব
পরের মরশুম বা ১৯৮৯-১৯৯০'র রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে ঘরের মাঠ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ফের দিল্লির মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ম্যাচ ড্র হলেও প্রতি উইকেটে রানের প্রেক্ষিতে ট্রফি জিতেছিলেন অরুণলাল, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়রা।

পরের কাহিনি
১৯৯৩-১৯৯৪, ২০০৫-২০০৬ ও ২০০৬-২০০৭'র মরশুমে বাংলা রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে পৌঁছলেও রানার্স হয়েই খুশি থাকতে হয়। শেষ বার সচিন তেন্ডুলকর নেতৃত্বাধীন মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে তাদেরই মাঠে পরাজিত হতে হয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাংলাকে। ১৩ বছর অপেক্ষা করার পর ফের রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে পৌঁছল বিসিসিআই সভাপতির রাজ্য। সবমিলিয়ে মোট ১৩ বার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে পৌঁছেও মাত্র দুই বার ট্রফি জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বাংলাকে।


Click it and Unblock the Notifications



















